সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হোলি লিলি!

রঙ লেগেছে মুখে আর ফুল ফুটছে বুকে। রঙের আর কি, কোনো বিদ্বেষ নেই। সাফসুতরো মুখ দেখলেই খানিক আদর করার সুখ। তবে নিটোল এবং অরগ্যানিক। এ আই দিয়ে বিশ্লেষিত নয়। জৈব অ্যাড্রিনালিন দ্বারা সংশ্লেষিত। তাই ছুটে পালানোর বাহানা খোঁজে বৈরাগী; প্লিজ এখানে আবার পৌরাণিক অ্যাঙ্গেল ঢুঁড়বেন না যেন, তাহলেই কিন্তু রাধা বেঁকে বসবে। নিভৃতে, চিলেকোঠার কোনে কে জানত একদা রঙের এত বাহাদুরি দেখা যাবে। কোথায় মাড় না ভাঙা ধনেখালির কৌমার্য, একটু আড়াল পেতেই একেবারে উন্মুক্ত পারিজাত পাপড়ির পরাগ। আড় ভেঙে, নিমেষে শয্যাত্যাগের বেডশিট। ভ্রমর পায়ে রঙ তো লাগবেই। দোলের দিন খোল বাজবে এ নিয়ে ডিবেট করার কিছু নেই। কিন্তু বুকের মাঝে এমন ভূতপায়ের নাচন হবে কে জানত। কলা গাছের নির্মোক খুলে পড়ার মত নির্লজ্জ অন্তর, নির্বাক। রঙ গড়িয়ে যায়; নাম না জানা বদ্বীপ ছুঁয়ে দুর্গম মোহনার হ্যাংলামোপনায়। ছবিটি এঁকেছে দেবার্পণ, লেখক দেবাশিস জানার ছেলে। হালকা হালকা হাওয়ায়, আমের বকুল খানিক ঝরে পড়লেও ক্ষতি নাই; রঙ হাতে তো রাশ হাতে। সজনে ফুল কুড়ানোর সময় এখন; শরীর খারাপ বলে, পড়ার ঘরে একা একা টেক্সট করার ছল – না রে পাগলা, আজ পারবো না! তবে? আজ বরং শিমুলকে - বৃ...