মেঘের মুখে পারদ আভা , কোথাও তা তাল গাত্রের মত কৃষ্ণকায় , কোথাও আবার স্তিমিত রোদের ক্লান্তি মাখা । বৃষ্টিবতী ঋতু শ্রাবণের মেঘাক্ত আকাশ , উপুড় করা উপবৃত্তাকার ফুল সাজির মত পুষ্প সম বারিবিন্দু ঝরায় , কখনো মন্দ্র কখনো তুঙ্গ নাচনে । রবিহীনতার রৌদ্রহীন দশা করুণ অভিমানে তাকে মৃত্তিকার কাছে সুগচ্ছিত রাখে ; পথ থেকে পথান্তরে ঝরে পড়া সে অভিসার চিহ্ন চিতার লীনতাপ নিয়ে উবে যেতে ছুটে যায় অন্তিম দহনের পথে । কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি , চিৎপুর রোড , কলুটোলা স্ট্রিট হয়ে কলেজ স্ট্রিট , তারপরে কর্নওয়ালিস স্ট্রিট এবং সবশেষে নিমতলা মহাশ্মশানের অগ্নিপথে মহা উড়ান । শায়িত রবি , কুসুমাবৃত ; জরিদার বেনারসির পরিধান , তার পরে বেল জুঁই কাঁড়ি কাঁড়ি । সঙ্গে পূর্ণ বিকশিত সিতপদ্ম এবং নৈশগন্ধার নিবিড় সমাবেশ । পায়ের কাছে কাঁঠালচাঁপা ফুলের শ্রদ্ধা নিষ্ঠ সমর্পণ , পুত্র রথীন্দ্রনাথের স্ত্রী প্রতিমা দেবী সেই নিবেদনের নেপথ্যে । কণ্ঠ থেকে আপাদলম্বিত রজনীগন্ধার মাল্য ভূষণ । বৃষ্টিপাতের ম...
ঠিকানা - ১০৩ A & C বালিগঞ্জ প্লেস , কোলকাতা ১৯; দক্ষিণ কোলকাতার অন্যতম অভিজাত স্কুল পাঠ ভবনে সেদিন এক অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটলো , যা স্কুলের ছাত্র ছাত্রী থেকে শিক্ষক শিক্ষিকা সকলেরই কল্পনার বাইরে। স্বপ্নেও কেউ তারা ভাবেনি এমনটা হতে পারে। একেবারে হুলস্থূল পড়ে গিয়েছিল স্কুলে , ছাত্রদের তুমুল হুড়োহুড়ি আর চিল চিৎকারে কানে প্রায় তালা পড়ে যাওয়ার উপক্রম । ঘটনার এপি সেন্টার হেডমাস্টার মহাশয়ের অফিস ঘর। কাঠের সিঁড়ি বেয়ে তখন হুটোপাটা করে বিভিন্ন ক্লাশের ছাত্র ছাত্রীরা ছুটে নেমে আসছে নীচে প্রধান শিক্ষকের অফিসের দিকে। তাদের আবেগের জোশ এতটাই প্রবল যে এক মুহূর্তের অপেক্ষাও যেন কারোর কাছে বরদাস্ত নয়। কিংবদন্তি কণ্ঠ শিল্পী কিশোর কুমার। নিশ্চিত এই অব্দি পড়ার পরে মনে কিশোর কুমারের গানের ঢঙে “ এ কি হল , কেন হল ” বলে প্রশ্ন জাগা শুরু হয়েছে। কিন্তু সে নিয়ে কৌতুহল মেটানোর আগে বরং ' কবে হল ' এই প্রশ্নের নিরসন করার চেষ্টা করি। ঘটনাটি ঘটে গত ছয়ের দশকের শেষের দিকে , স্কুল ...