মেয়েটির কাছে শব্দেরা ছিল বোবা, বধিরতার আঁধারে চোবানো। কারণ মেয়েটি ছিল কর্ণহীন, বাইরে দৃশ্যমান বেসিনাকৃতি কানের পাতা (Pinna) অংশটি তার ছিল না জন্মাবধি। ছিল না তার সঙ্গে যুক্ত কর্ণ নালিকা বা ইয়ার ক্যানেলও। যার ফল বহিঃকর্ণের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি এবং তার সঙ্গে মধ্য কর্ণের টিম্প্যানিক মেমব্রেন বা ইয়ার ড্রামের না থাকা –দুইয়ে মিলে শব্দেরা কোনভাবে পৌছতে পারছিল না অন্তঃকর্ণ বা ককলিয়াতে। ফলশ্রুতি শব্দের পৃথিবীতে নীরবতার নির্বাসনে কাটানোর ভবিতব্য ছিল তার বরাদ্দ। কিন্তু করুণাময় ঈশ্বর হয়তো অন্য কিছু লিখেছিলেন মেয়েটির কপালে। তাই সাত বছর বয়সে এসে শেষ পর্যন্ত তার সামনে বন্ধ শব্দের দেরাজ খোলার একটা সম্ভাবনা দেখা দিল। কারণ প্রতিবেশী বাংলাদেশের এই সাত বছরের বধির মেয়েটিকে তার রুদ্ধ শ্রবন ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে শেষমেশ তার বিচ্ছিন্ন কর্ণ কুহরে সেতুবন্ধনের কাজটি করা শুরু করে দিল কোলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতাল। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবরে প্রকাশ, প্রখ্যাত কর্ণ বিশারদ তথা শল্য চিকিৎসক ডক্টর NVK মোহন এক অভিনব পন্থায় এই বিচ্ছিন্নতা মেরামত করার চেষ্টা করেছেন। কারণ আশ্চর্যজনক ভাবে মেয়েটির অন্তঃকর্ণ বা ককলিয়াটি কিন্তু অবি...
আজকে শাম তুমারে নাম! কিন্তু শুধু শাম-ই বা কেন, প্রিয় মানুষের নামে পথ ঘাট, বাজার, লাইব্রেরি থেকে মহাকাশ স্টেশন সবকিছুই যখন হতে পারে তখন কাফকা বা উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের নামে (বিশেষ প্রজাতি) ডালিয়া বা গোলাপের নামকরন হলে আর বেশী কী। ইষ্ট দেবতার নামে ছেলে মেয়ের নাম দেওয়ার চল তো বহু পুরনো, বহু দিন আগে একটা জায়গায় পড়েছিলাম বিহারের কোনো এক বাসিন্দা তিনি নাকি এতটাই ভক্ত ছিলেন কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের যে আদর করে ছেলের নাম রেখেছিলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সিং। উদ্যানবিদ হাজি কলিমোল্লা খান, উত্তর প্রদেশের মানুষ; রকমারি হাইব্রিড আম ফলানোয় একেবারে দিকপাল। কিন্তু শুধু নতুন নতুন আম বানালেই তো হবে না, তাদের নামও তো দিতে হবে। হাজি কলিমোল্লা সাহেব এ ক্ষেত্রে কিছু জীবন্ত কিংবদন্তীর নাম বেছে একেবারে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে দেশের বড় বড় ভি ভি আই পিরাও নামকরণের চক্করে পড়ে আম হয়ে গিয়েছেন। যেমন শচিন আম, নরেন্দ্র মোদী আম বা সোনিয়া গান্ধী আম ইত্যাদি। নারায়ণ দেবনাথ। শুধু আমই বা কেন, সম্প্রতি আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু উদ্ভিদ গবেষকের নজরে পড়ে একটি নতুন প্রজাতির সপুষ্পক গুল্ম জাতীয় গাছ; আ...