ফুটবল, ব্যাট বল, বেসবল, বাস্কেটবল ইত্যাদি যতরকমের খেলার বল রয়েছে সবেরই তো উৎপত্তি হয় ইংল্যান্ডে নয় আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে, সেখানে সাত সমুদ্র তের নদী পেরিয়ে একেবারে এই বাংলার জল হাওয়া ও মাটির গন্ধে জন্ম হওয়া এবং বেড়ে ওঠা ধাপাস বলের ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠার কাহিনী কিন্তু বেশ চমকপ্রদ। ছোটবেলায় বাতাবী লেবুর গায়ে ধাপাস ধাপাস করে লাথি মেরে উঠোনের এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে পাঠানোর ছবি গ্রাম বাংলার জীবনে একটি অতি পরিচিত আনন্দঘন মুহূর্তের অবতারণা করে আসছে আজন্মকাল। পরবর্তীতে কিশোর তরুণদের কাছে শিশুবেলার সেই সবুজ এবং আপাত নরম স্বভাবের গোলাকরূপী বাতাবী লেবু পেটানোর উন্মাদনাই যে তাদের ফুটবল খেলার প্রতি আগ্রহকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় তাতে কোনো অতিশয়োক্তি নেই। মাঠে ঘাটে, বৃষ্টির জল কাদা ভেঙেই চলে ফুটবল নিয়ে মাতামাতি, সঙ্গে পায়ের এবং শরীরের নানা কারুকাজ ও কারসাজি। কিন্তু সবই করতে হয় নিয়ম আর অনুশাসন মেনে; খেলোয়াড়দের তার বাইরে গেলে রেফারির হুইসল বেজে ওঠার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু নিয়মের নিগড়ে পড়ে যদি পায়ের সেই অবাধ ধাপাস-সুখ প্রাপ্তির আনন্দটাই নিরঙ্কুশ না থাকে তবে আর রইলটা কী! যদিও বাংলা তথা বাঙালির ফুটবল প্র...
১৯৬৭ তে সুকান্ত - সমগ্র প্রকাশিত হওয়ার সময় , কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় লিখেছিলেন সুকান্ত ( জন্ম - ১৯২৬ , ১৫ই আগস্ট ) বেঁচে থাকলে এখন তার বয়স হতো ৪১ , কিন্তু সুকান্ত আজও একুশেই আছেন ; সুকান্তের বয়স বাড়েনি , প্রবহমান সময়ের স্রোতে কবি সুকান্ত এক স্থায়ী দিক চিহ্ন হয়েই চিরকাল তাঁর বিদ্রোহী কবিসত্তার ধ্বজা উড়িয়ে চলেছেন । প্রাণপ্রিয় বন্ধু কবি অরুণাচল বসুকে একটা চিঠিতে সুকান্ত লিখছেন , প্রেমে পড়ে প্রেমের কবিতা লেখা তার কাছে বড়ই ন্যক্কারজনক ব্যাপার , ঠিক যেমনটি তিনি নিজেকে ' দুর্ভিক্ষের কবি ' ( রবীন্দ্রনাথের প্রতি , ছাড়পত্র ) বলে আখ্যায়িত করেও ব্যক্তি হিসেবে কখনো বুভুক্ষু মানুষের দলে নিজেকে অন্তর্ভুক্ত ক ’ রে অযথা সহানুভূতি কুড়ানোর প্রচেষ্টা করেননি । কবি সুকান্ত। ছোটবেলায় যে সচ্ছলতা এবং স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে বড় হয়েছেন , বাবা ( নিবারণ ভট্টাচার্য ) এবং জ্যাঠা ' র ( কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য ) যৌথ প্রকাশনা ব্যবসা ছিল কোলকাতার ( ২০৬ নং ) বিধান সরণি তে । সারস্বত প্রকাশনী নাম...