সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

যত্ত বৃষ্টি কোলকাতায়!

কোলকাতার বৃষ্টির একটা আলাদা চার্ম রয়েছে , বাতাসে ভাসমান ধোঁয়া ধুলো সব বৃষ্টির ফোঁটায় অধঃক্ষিপ্ত হয়ে মাটিতে নেমে আসে , তাতে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স এর (AQI) মান যেমন শুদ্ধ হয় তেমনি আকাশের ধোঁয়াশা ভাব কেটে চারিদিকের নজারা একেবারে সাফসুতরো আয়নার মতো হয়ে যায় । চারপাশের ঘরবাড়ি সৌধ ফুটপাত গাছপালা ইত্যাদিকে  তখন মনে হয় যেন সদ্য স্নান সেরে আসা তীর্থযাত্রী ; লাইন বেঁধে একে একে সব দাঁড়িয়ে পড়েছে তাদের ক্লান্তিহীন ঝরঝরে মুখগুলিকে দেখাতে ; শহুরে ধুলোকালির প্রসাধন মুক্ত , পুরোদস্তুর সতেজ এবং সজীব হয়ে ।   কোলকাতা ম্যাডক্স স্কোয়ার।   কিন্তু ঐ পর্যন্তই , কংক্রিটের আস্তরণে মোড়া কোলকাতার মাটির সঙ্গে এই বৃষ্টির কোনো সম্পর্ক নেই । হুগলি নদীর পূর্ব পাড়ে পত্তন হওয়া এই শহর শেষ কবে বৃষ্টির উন্মুক্ত পতনকে আপন বুকে জায়গা করে দিয়েছে তার কোনো হিসাব নেই । কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী কোলকাতার মাটি ঠিক কোন্ প্রকৃতির এই ভেবে তাঁর গভীর বিস্ময়ের কথা ব্যক্ত করে গেছেন তাঁ...
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

"গেল রে দিন বয়ে!"

মেঘের মুখে পারদ আভা , কোথাও তা তাল গাত্রের মত কৃষ্ণকায় , কোথাও আবার স্তিমিত রোদের ক্লান্তি মাখা । বৃষ্টিবতী ঋতু শ্রাবণের মেঘাক্ত আকাশ , উপুড় করা উপবৃত্তাকার ফুল সাজির মত পুষ্প সম বারিবিন্দু ঝরায় , কখনো মন্দ্র কখনো তুঙ্গ নাচনে । রবিহীনতার রৌদ্রহীন দশা করুণ অভিমানে তাকে মৃত্তিকার কাছে সুগচ্ছিত রাখে ; পথ থেকে পথান্তরে ঝরে পড়া সে অভিসার চিহ্ন চিতার লীনতাপ নিয়ে উবে যেতে ছুটে যায় অন্তিম দহনের পথে । কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।  জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি , চিৎপুর রোড , কলুটোলা স্ট্রিট হয়ে কলেজ স্ট্রিট , তারপরে কর্নওয়ালিস স্ট্রিট এবং সবশেষে নিমতলা মহাশ্মশানের অগ্নিপথে মহা উড়ান । শায়িত রবি , কুসুমাবৃত ; জরিদার বেনারসির পরিধান , তার পরে বেল জুঁই কাঁড়ি কাঁড়ি । সঙ্গে পূর্ণ বিকশিত সিতপদ্ম এবং নৈশগন্ধার নিবিড় সমাবেশ । পায়ের কাছে কাঁঠালচাঁপা ফুলের শ্রদ্ধা নিষ্ঠ সমর্পণ , পুত্র রথীন্দ্রনাথের স্ত্রী প্রতিমা দেবী সেই নিবেদনের নেপথ্যে । কণ্ঠ থেকে আপাদলম্বিত রজনীগন্ধার মাল্য ভূষণ । বৃষ্টিপাতের ম...