বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ছিন্ন হলে যেমন সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মি চলে আসার ভয় রয়েছে, তেমনি শ্বাসপ্রশ্বাসের বাতাসে ওজোনের পরিমান বেড়ে গেলেও বিপদ কম নয় । তার মানে আকাশে ওজোন না থাকলে যেমন ক্ষতি, ভূপৃষ্ঠে আবার সেটা থাকলে বিপত্তি। কিন্তু যার থাকা না থাকা নিয়ে এত সমস্যা, তার আসল চরিত্রটা কী, সেটা প্রথমে বুঝে নেওয়া দরকার। গোদা বাংলায় বলতে গেলে, সাধারন তাপে এটি একটি ফ্যাকাশে নীল রঙের গ্যাসীয় পদার্থ। রাসায়নিক ভাবে আবার আমাদের প্রাণ বায়ু অক্সিজেনের খুব কাছাকাছি, নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে অক্সিজেনের থেকেও এক কাঠি বাড়া। কারণ বাতাসের অক্সিজেনে যেখানে দুটি অক্সিজেন পরমানু (O2)রয়েছে সেখানে ওজোনে (O3) রয়েছে তিনটি । তবে তা সত্ত্বেও, শ্বাসবায়ুর সঙ্গে যদি অতিমাত্রায় ওজোন শরীরের মধ্যে ঢুকে পড়ে তবে তা শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত নানা সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে। সাধারন কাশি থেকে শ্বাসকষ্ট এমনকি হাঁপানির মত দীর্ঘস্থায়ী অসুখেরও তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে অনায়াসে। যে কারণে শিশু বা বৃদ্ধদের কাছে বিশেষ করে ফুসফুস সংক্রান্ত অসুখে যারা ভোগেন তাদের জন্যে ওজোনের বিপদ সবথেকে বেশী। এ হেন ওজোন কিন্তু আকাশ থেকে টপকে ...
বলা হয়, মা তাঁর নিজের পুজোর ব্যবস্থা নিজেই করে নেন, এমনকি যে বিশেষ ব্যক্তিটির কাঁধে তিনি তাঁর পুজো আয়োজনের গুরুভার অর্পণ করবেন সেটিও তাঁর পূর্ব নির্ধারিত, তাই আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগে বর্ধমানের আখনা গ্রাম থেকে জনৈক বীরকিশোর নারায়ণ ঘোষ সুদূর মেদিনীপুরের ওড়িশা সংলগ্ন অঞ্চল নয়াগ্রামের আগরআড়ায় এসে হাজির হলেন সপরিবারে, এবং প্রায় তিনশো একরেরও বেশী জমির সুবিশাল জমিদারি স্থাপন করলেন, যদিও তাঁর এখানে আসার পেছনে সঙ্গত কোনো কারণের প্রশ্নে বর্তমান বংশধরদের মধ্যে কেউই সেভাবে কিছু জানাতে পারেননি। আগরআড়া গ্রামের ঘোষ বাড়ির দুর্গা পুজায় হাঁড়িকাঠ (অড়গলি) ও খাঁড়া। আগরাড়া আসতে, এগরা-সোলপাট্টা গামী রাজ্য সড়কে পড়া নয়াগ্রাম বাজার স্টপেজ থেকে এক কিমির মতো উত্তর দিকে গ্রাম্য পিচের রাস্তায় ঢুকতে হয়। পরিচর্যার অভাবে এবড়োখেবড়ো রাস্তার দুপাশে গাছগাছালি, জলভরা পুকুর, ছোট ছোট ইঁটের ঘাট, মাটির দোতলা ঘর, এসব দেখতে দেখতেই দিব্যি পৌঁছে যাওয়া যায় আগরআড়া ঘোষ বাড়ির বহু প্রাচীন দুর্গা দালানের সামনে। কোলকাতা থেকে দূরত্বের কারণে তথাকথিত মূলধারার মিডিয়ায় সেভাবে প্রচারের আলো পায় না এই ধরনের গ্...