রাজারা যে শুধু গান বাজনা বা শিল্প কলার পৃষ্ঠপোষকতা করতেন তা কিন্তু নয় , বাঘের প্রজনন বৃদ্ধির জন্যেও তাঁদের অবদান ঐতিহাসিক ভাবে স্বীকৃত। একটা কথা প্রায়শই বলা হয়ে থাকে যে মৃগয়ায় বেরিয়ে নাকি রাজারা মৃগ শিকারের থেকে বাঘ শিকারের দিকেই বেশী নজর দিতেন। তাতে তাদের বীরত্ব এবং শৌর্যের ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠিত হত। রাজ গৃহে সেই কারণে ব্যাঘ্র চর্মের প্রদর্শন রাজ গৌরবের বিশেষ সাক্ষর হিসেবে বিবেচিত হত। । সভাসদ তথা প্রজাদের থেকে রাজ সমীহ আদায়ের একটি উজ্জ্বল উপকরণ হিসেবেই এটি রাজ দরবারের দেওয়ালে শোভিত হওয়া ছিল দস্তুর। আলিপুর চিড়িয়াখানায় রয়েল বেঙ্গল টাইগার। কিন্তু সেই রাজা যখন বাঘকে নাগালের মধ্যে পেয়েও তাকে ছেড়ে দেন শুধু তাই নয় উল্টে প্রাসাদে বয়ে নিয়ে আসেন রাজ পোষ্য হিসেবে তখন তো ব্যাপারটার মধ্যে একটু চমক থাকেই। বর্তমানে বাঘ সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যখন সারা বিশ্ব ২৯ জুলাই তারিখটিকে বিশ্ব ব্যাঘ্র দিবস হিসেবে পালন করছে , তখন এই রাজার ভূমিকার কথা আরোও বেশী বেশী করে আলোচনায় উঠে আসার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি। উল্লেখ্য এই রাজা ছিলেন মধ্যপ্রদেশের রেওয়া অঞ্চলের , ১৯৫১ সালে পার্শ্ববর্তী জঙ্...
একটা শ্রুতিনাটকের কথা মনে পড়ে গেল । কিশোরবেলায় শোনা , ইতিমধ্যে বহু বছর পেরিয়েও গিয়েছে ; কিন্তু এখনও সেই নাটকের মূল গল্পটি অটল থেকে গেছে স্মৃতিতে । আকাশবাণীর কোলকাতা ক ’ থেকে প্রতি শুক্রবার রাত আটটার সময় একটা নাট্যানুষ্ঠান সম্প্রচারিত হত , ভীষণ জনপ্রিয় ছিল ; গত নয়ের দশকের সময় তখন , এখনকার মত রিল রসে ডুবে থাকার সময় ছিল না সেটা ; নিদেনপক্ষে টিভির পর্দায় সন্ধ্যার সোপ কিংবা খবরের চ্যানেলে গলা ফাটানো ঝগড়া দেখে সময় গুজরান করা যাবে সেরকম সম্ভাবনাও সে অর্থে সে সময় ছিল না । তাই বেতার যন্ত্রের ওপর ভরসা, বিশেষ করে শুক্রবার সন্ধ্যায় এমন সব দুর্দান্ত নাটক পরিবেশিত হত সেখানে যে রাত আটটা কখন বাজবে সেই ভেবে তর সইত না । এমনকি পড়ার ঘরে টাঙানো দেওয়াল ঘড়িটাকেও মনে হত বড্ড স্লো যাচ্ছে । তা এরকম এক শুক্রবারীয় নাট্য বাসরে একটি অসাধারণ শ্রুতিনাটক শোনার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার যার কথা এখনও ভুলতে পারিনি। এতটাই তীব্র অভিঘাত ছিল এটির যে তা যে কোনো শ্রোতার মনেই গভীর দাগ কেটে যাবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। এ কথা ঠিক এত দিন বাদে নাটকটির কাহিনীকার কে ছিলেন বা তার বেতার নাট্যরূপ কে দিয়েছিলেন সে সম্পর্কে ...