রঙ লেগেছে মুখে আর ফুল ফুটছে বুকে। রঙের আর কি, কোনো বিদ্বেষ নেই। সাফসুতরো মুখ দেখলেই খানিক আদর করার সুখ। তবে নিটোল এবং অরগ্যানিক। এ আই দিয়ে বিশ্লেষিত নয়। জৈব অ্যাড্রিনালিন দ্বারা সংশ্লেষিত। তাই ছুটে পালানোর বাহানা খোঁজে বৈরাগী; প্লিজ এখানে আবার পৌরাণিক অ্যাঙ্গেল ঢুঁড়বেন না যেন, তাহলেই কিন্তু রাধা বেঁকে বসবে। নিভৃতে, চিলেকোঠার কোনে কে জানত একদা রঙের এত বাহাদুরি দেখা যাবে। কোথায় মাড় না ভাঙা ধনেখালির কৌমার্য, একটু আড়াল পেতেই একেবারে উন্মুক্ত পারিজাত পাপড়ির পরাগ। আড় ভেঙে, নিমেষে শয্যাত্যাগের বেডশিট। ভ্রমর পায়ে রঙ তো লাগবেই। দোলের দিন খোল বাজবে এ নিয়ে ডিবেট করার কিছু নেই। কিন্তু বুকের মাঝে এমন ভূতপায়ের নাচন হবে কে জানত। কলা গাছের নির্মোক খুলে পড়ার মত নির্লজ্জ অন্তর, নির্বাক। রঙ গড়িয়ে যায়; নাম না জানা বদ্বীপ ছুঁয়ে দুর্গম মোহনার হ্যাংলামোপনায়। ছবিটি এঁকেছে দেবার্পণ, লেখক দেবাশিস জানার ছেলে। হালকা হালকা হাওয়ায়, আমের বকুল খানিক ঝরে পড়লেও ক্ষতি নাই; রঙ হাতে তো রাশ হাতে। সজনে ফুল কুড়ানোর সময় এখন; শরীর খারাপ বলে, পড়ার ঘরে একা একা টেক্সট করার ছল – না রে পাগলা, আজ পারবো না! তবে? আজ বরং শিমুলকে - বৃ...
এইতো কয়েকদিন আগের কথা, ঢাকুরিয়া মধুসূদন মঞ্চের সামনে - সিঁড়ি ভেঙে, ফুট ব্রিজে উঠছি, দেখি মুখের কাছে এক কোনায়, সুন্দর একটা বটের চারা; সাকুল্যে গোটা ছয়েক পাতা হবে, নরম, সবুজ; মৃদু হাওয়ায় আলতো আলতো আন্দোলিত হচ্ছে, কেমন যেন আদুরে আদুরে ভাব। খানিক দূরে দুটো ভাত শালিক, ব্রিজের রেলিং এর ওপর ঝিম মেরে বসে আছে। তা বসুক গে, তখন তো বুঝিনি। কারণ শিশু বটগাছে এখনো ফল ধরতে অনেক বাকি। একবার ফল ধরলে না হয় টিয়া, বসন্তবৌরি বা কোকিল ইত্যাদি পাখির সঙ্গে সঙ্গে এই ভাত শালিকেরাও নানা জায়গা হতে উড়ে এসে জুড়ে বসতো। আসলে লাল, লাল বটফল গুলো দেখতে যেমন আকর্ষণীয় হয়, তেমনি - পাখিদের কাছে সুস্বাদু এবং পুষ্টিকরও বেশ। তাই সারাবছরই এই ফাইকাস বেঙ্গালেনসিস (৫০ টির বেশী এখনো টিকে থাকা বট প্রজাতির মধ্যে একটির বিজ্ঞানসম্মত নাম এটি, যার মধ্যে বেঙ্গল কথাটি রয়েছে) মানে বটগাছের ডালা পালায় এদের ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। মহাকলরবে একেবারে ভরে ওঠে বটতলা! যাক গে, স্বভাব মতো, মোবাইল বের করে যথারীতি ছবি নেবো বলে ক্যামেরা অন করেছি, কিন্তু যেই না মোবাইলটাকে বটগাছের মাথার কাছে নিয়ে গিয়ে খানিক ঝুঁকে দাঁড়িয়েছি, ব্যাস্। অমনি সেই শা...