ঠিকানা - ১০৩ A & C বালিগঞ্জ প্লেস , কোলকাতা ১৯ , দক্ষিণ কোলকাতার অন্যতম অভিজাত স্কুল পাঠ ভবনে সেদিন এক অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটলো , যা স্কুলের ছাত্র ছাত্রী থেকে শিক্ষক শিক্ষিকা সকলেরই কল্পনার বাইরে। স্বপ্নেও কেউ তারা ভাবেনি এমনটা হতে পারে। একেবারে হুলস্থূল পড়ে গিয়েছিল স্কুলে , ছাত্রদের তুমুল হুড়োহুড়ি আর চিল চিৎকারে কানে প্রায় তালা পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। ঘটনার এপি সেন্টার হেডমাস্টার মহাশয়ের অফিস ঘর। কাঠের সিঁড়ি বেয়ে তখন হুটোপাটা করে বিভিন্ন ক্লাশের ছাত্র ছাত্রীরা ছুটে নেমে আসছে নীচে প্রধান শিক্ষকের অফিসের দিকে। তাদের আবেগের জোশ এতটাই প্রবল যে এক মুহূর্তের অপেক্ষাও যেন কারোর কাছে বরদাস্ত নয়। কিংবদন্তি কণ্ঠ শিল্পী কিশোর কুমার। নিশ্চিত এই অব্দি পড়ার পরে মনে কিশোর কুমারের গানের ঢঙে “ এ কি হল , কেন হল ” বলে প্রশ্ন জাগা শুরু হয়েছে। কিন্তু সে নিয়ে কৌতুহল মেটানোর আগে বরং ' কবে হল ' এই প্রশ্নের নিরসন করার চেষ্টা করি। ঘটনাটি ঘটে গত ছয়ের দশকের শেষের দিকে , ...
রাজারা যে শুধু গান বাজনা বা শিল্প কলার পৃষ্ঠপোষকতা করতেন তা কিন্তু নয় , বাঘের প্রজনন বৃদ্ধির জন্যেও তাঁদের অবদান ঐতিহাসিক ভাবে স্বীকৃত। একটা কথা প্রায়শই বলা হয়ে থাকে যে মৃগয়ায় বেরিয়ে নাকি রাজারা মৃগ শিকারের থেকে বাঘ শিকারের দিকেই বেশী নজর দিতেন। তাতে তাদের বীরত্ব এবং শৌর্যের ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠিত হত। রাজ গৃহে সেই কারণে ব্যাঘ্র চর্মের প্রদর্শন রাজ গৌরবের বিশেষ সাক্ষর হিসেবে বিবেচিত হত। । সভাসদ তথা প্রজাদের থেকে রাজ সমীহ আদায়ের একটি উজ্জ্বল উপকরণ হিসেবেই এটি রাজ দরবারের দেওয়ালে শোভিত হওয়া ছিল দস্তুর। আলিপুর চিড়িয়াখানায় রয়েল বেঙ্গল টাইগার। কিন্তু সেই রাজা যখন বাঘকে নাগালের মধ্যে পেয়েও তাকে ছেড়ে দেন শুধু তাই নয় উল্টে প্রাসাদে বয়ে নিয়ে আসেন রাজ পোষ্য হিসেবে তখন তো ব্যাপারটার মধ্যে একটু চমক থাকেই। বর্তমানে বাঘ সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যখন সারা বিশ্ব ২৯ জুলাই তারিখটিকে বিশ্ব ব্যাঘ্র দিবস হিসেবে পালন করছে , তখন এই রাজার ভূমিকার কথা আরোও বেশী বেশী করে আলোচনায় উঠে আসার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি। উল্লেখ্য এই রাজা ছিলেন মধ্যপ্রদেশের রেওয়া অঞ্চলের , ১৯৫১ সালে পার্শ্ববর্তী জঙ্...