বইমেলা তখন ময়দান থেকে সেন্ট্রাল পার্কে উঠে আসেনি, এক সন্ধ্যায় গেছি, দেখি এক আলোচনা মঞ্চে তখন কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বক্তব্য রাখছেন। বাংলা ভাষার বানান বিভ্রান্তি নিয়ে তিনি খুবই চিন্তিত ছিলেন, ১৯৯১ এ তাঁর সম্পাদনায় বাংলা বানান বিধি নিয়ে একটি উল্লেখযোগ্য বইও বেরিয়েছে ‘বাংলাঃ কি লিখবেন কেন লিখবেন’ নামে। তা যে কারণে বক্তৃতাটি আমার স্মৃতিতে আজও অটুট সেটি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর একটি খুব তাৎপর্যপূর্ণ এবং সরস পর্যবেক্ষণের কারণে। কী বলেছিলেন তিনি? বলেছিলেন, “একই শব্দ ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি বা পত্রিকা গোষ্ঠী ভিন্ন ভিন্ন বানান লিখছেন এটি বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে একটি সাধারন বিড়ম্বনা, কিন্তু অসুবিধা হয় যখন একই ব্যক্তি একই শব্দের ভিন্ন ভিন্ন বানান লিখছেন।" ২১ শে ফেব্রুয়ারি তথা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের দিনে প্রায় ত্রিশ কোটি মানুষের মাতৃভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার গুরুত্ব যথেষ্ট । শুধু বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ভাষা হিসেবে নয়, মাতৃভাষা রক্ষায় প্রাণদানের ইতিহাসও বাংলা ছাড়া অন্য কোনো ভাষাতে নেই। তাই বাংলা ভাষার একটি সর্বজন গ্রাহ্য বানান বিধি থাকা অবশ্য প্রয়োজন, অন্তত এই নিয়ে কারোর কোনো দ্বিমত ...
অনেকটা খেজুর গাছে ঝোলানো কলসির মতো দেখতে, কিন্তু মাটির নয়, সবুজ লতা শুকিয়ে তাকে দড়ির মতো করে পাকিয়ে বানানো চুপড়ি এগুলি। গায়ে আবার চৌকো মতো ফোকড় করা থাকে; যেখান দিয়ে চড়ুই পাখি সহজে ঢুকতে, বেরুতে পারবে। সাধারণত চড়ুই, যাদের বাড়ির চিলেকোঠায়, ঘুলঘুলিতে বা কড়িকাঠের ফাঁকে, অতি সাধারণ খড় খাচি দিয়ে বাসা বানাতে দেখা যায় তাদের জন্যে এই নতুন বাসা নির্মাণের খরচ অবশ্য পড়ছে মাত্র পাঁচ টাকা। প্রসঙ্গত ডিম পাড়ার সময়, চড়ুইয়ের বাসার খুব প্রয়োজন। মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর - এই কয়েকমাস চড়ুইয়ের প্রজননের সময়। এই সময়ে আবার ভরা বৃষ্টি কাল চলে, তাই নীড় বাঁধা চাইই। কিন্তু শুধু বাঁধতে চাইলেই তো হবে না, ঝড় বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া বা উড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে; এছাড়াও বর্তমানে বাড়ি ঘরের যে স্থান সংকুলান তাতে চড়ুই পাখি বা তার বাসার কথা ভাবা প্রায় অসম্ভব; নিছক কল্পনা ছাড়া কিছু নয়। ফলে চড়ুই সংখ্যা দিনদিন কমছে। তাই চড়ুই রক্ষায় কৃত্রিম এই বাসা নির্মাণের পরিকল্পনা। কিন্তু শুধু নির্মাণ করেই ক্ষান্ত হননি মণিপুরের আনিশ আহমেদ, এইসময় মণিপুরের কাকটা গ্রাম বা তার আশেপাশের এলাকায় গেলে তাঁকে রীতি...