ঝিপ ঝিপ করে বৃষ্টি পড়ছে আর তার মাঝেই জগন্নাথ দেব ও দাদা বলরাম তাদের আদরের বোন সুভদ্রাকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন মাসী গুন্ডিচার বাড়ির উদ্দেশ্যে! গ্রামে গঞ্জে এখন চাষাবাদের মরসুম ; লা ঙল দেওয়া , ধান রোপণ করা ইত্যাদি এখন সবার আগে , এর মধ্যে হলধর বলরামের মাসির বাড়ি ঘুরতে যাওয়াটা কতটা যুক্তিসঙ্গত তা নিয়ে বিলকুল প্রশ্ন উঠতে পারে। এ কথা ঠিক , এখন দিন বদলেছে , চাষের কাজে বলদ কিংবা হাল প্রভৃতি বস্তু গুলো এখন ওই অভিধানের পাতাতেই টিকে আছে। বাস্তবে এদের অস্তিত্ব ওই ঢেঁকি কিংবা ঢেঁকি ছাঁটা চালের মতই অর্থহীন। রথারূঢ় জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা তবে একটা গল্প আছে , ভগবান কৃষ্ণের পরলোকগতির সঙ্গে সঙ্গে দ্বাপর যুগের অবসান এবং তৎপরবর্তী কালে কলির সূচনা হয় বলে কথিত , সেখানে জগন্নাথ দেবের উদ্ভব যেহেতু ভগবান কৃষ্ণের অদাহ্য দেহাবশেষ তথা পবিত্র দারু ব্রহ্ম থেকে হয়েছে বলে শাস্ত্রকারেরা বলে গেছেন তাই জগন্নাথ দেব যে একান্তই কলির দেবতা সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আর এখানেই এক অবধার...
মেয়েটির কাছে শব্দেরা ছিল বোবা, বধিরতার আঁধারে চোবানো। কারণ মেয়েটি ছিল কর্ণহীন, বাইরে দৃশ্যমান বেসিনাকৃতি কানের পাতা (Pinna) অংশটি তার ছিল না জন্মাবধি। ছিল না তার সঙ্গে যুক্ত কর্ণ নালিকা বা ইয়ার ক্যানেলও। যার ফল বহিঃকর্ণের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি এবং তার সঙ্গে মধ্য কর্ণের টিম্প্যানিক মেমব্রেন বা ইয়ার ড্রামের না থাকা –দুইয়ে মিলে শব্দেরা কোনভাবে পৌছতে পারছিল না অন্তঃকর্ণ বা ককলিয়াতে। ফলশ্রুতি শব্দের পৃথিবীতে নীরবতার নির্বাসনে কাটানোর ভবিতব্য ছিল তার বরাদ্দ। কিন্তু করুণাময় ঈশ্বর হয়তো অন্য কিছু লিখেছিলেন মেয়েটির কপালে। তাই সাত বছর বয়সে এসে শেষ পর্যন্ত তার সামনে বন্ধ শব্দের দেরাজ খোলার একটা সম্ভাবনা দেখা দিল। কারণ প্রতিবেশী বাংলাদেশের এই সাত বছরের বধির মেয়েটিকে তার রুদ্ধ শ্রবন ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে শেষমেশ তার বিচ্ছিন্ন কর্ণ কুহরে সেতুবন্ধনের কাজটি করা শুরু করে দিল কোলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতাল। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবরে প্রকাশ, প্রখ্যাত কর্ণ বিশারদ তথা শল্য চিকিৎসক ডক্টর NVK মোহন এক অভিনব পন্থায় এই বিচ্ছিন্নতা মেরামত করার চেষ্টা করেছেন। কারণ আশ্চর্যজনক ভাবে মেয়েটির অন্তঃকর্ণ বা ককলিয়াটি কিন্তু অবি...