এই পৃথিবীর সবচেয়ে আদিম এবং একমাত্র নিখাদ মৌলিক সৃষ্টির নাম হলো আলো, যার নেপথ্যে রয়েছে নিদারুণ দহনের ইতিহাস। বলা যায়, আলো আগুনের সহজাত; অর্থাৎ স্রষ্টা একইসাথে দাহ্য এবং আলোক বিকিরণকারী। নিজেকে অকাতরে পুড়িয়েই সে জন্ম দেয় অকুতোভয় আলোক ধারা কে। যার অকপট ছোঁয়ায় সঞ্জীবিত হয়ে ওঠে এ জগৎ জীবন সংসার। আলোর আত্মপ্রকাশ তাই ধরিত্রীর এক অতি নাটকীয় বিস্ময়, এক অলেখকের মহাকাব্যিক আলেখ্য প্রনয়নের গল্প। আলো হয়তো অবতার, তার মহা প্রতাপশালী রশ্মি রূপ অপরিমেয় দুর্দম গতিতে ছুটে আসে ধরার বুকে জমে থাকা আঁধারের রাজ্যপাট ভেঙে নিরাধার করে দিতে! আলোর গতিবেগ কল্পনার মতোই তীব্র এবং বিচিত্রগামী; দহন যত যন্ত্রনার, আলোর বিস্তার তত সুদূরপ্রসারী। কতটা ভয়ঙ্কর সূর্যের জ্বলন যে তা ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে থেকেও তার স্ফুলিঙ্গ স্রোত এসে পড়ে ভূপৃষ্ঠের সমুদ্র পাহাড় মালভূমি থেকে সমতলে! প্রতিদিন সকালে সাইকেলে চড়ে আলো দি আসেন খবরকাগজ দিতে, এই আলো বাড়ির একমাত্র উপার্জনকারী, স্বামী মারা গেছেন অকালে, দুই মেয়ে এক ছেলের ভার এখন তাঁর কাঁধে, ঝড় বৃষ্টিতেও কোনো ছাড় নেই, কেমন আছেন - জিজ্ঞাসা করলেই চোয়াল শক্ত করে বলেন, ...
বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ছিন্ন হলে যেমন সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মি চলে আসার ভয় রয়েছে, তেমনি শ্বাসপ্রশ্বাসের বাতাসে ওজোনের পরিমান বেড়ে গেলেও বিপদ কম নয় । তার মানে আকাশে ওজোন না থাকলে যেমন ক্ষতি, ভূপৃষ্ঠে আবার সেটা থাকলে বিপত্তি। কিন্তু যার থাকা না থাকা নিয়ে এত সমস্যা, তার আসল চরিত্রটা কী, সেটা প্রথমে বুঝে নেওয়া দরকার। গোদা বাংলায় বলতে গেলে, সাধারন তাপে এটি একটি ফ্যাকাশে নীল রঙের গ্যাসীয় পদার্থ। রাসায়নিক ভাবে আবার আমাদের প্রাণবায়ু অক্সিজেনের খুব কাছাকাছি, নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে অক্সিজেনের থেকেও এক কাঠি বাড়া। কারণ বাতাসের অক্সিজেনে যেখানে দুটি অক্সিজেন পরমানু (O2)রয়েছে সেখানে ওজোনে (O3) রয়েছে তিনটি । তবে তা সত্ত্বেও, শ্বাসবায়ুর সঙ্গে যদি অতিমাত্রায় ওজোন শরীরের মধ্যে ঢুকে পড়ে তবে তা শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত নানা সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে। সাধারন কাশি থেকে শ্বাসকষ্ট এমনকি হাঁপানির মত দীর্ঘস্থায়ী অসুখেরও তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে অনায়াসে। যে কারণে শিশু বা বৃদ্ধদের কাছে বিশেষ করে ফুসফুস সংক্রান্ত অসুখে যারা ভোগেন তাদের জন্যে ওজোনের বিপদ সবথেকে বেশী। এ হেন ওজোন কিন্তু আকাশ থেকে টপকে প...