কবিতায় আলোছায়ার অস্পষ্টতা না থাকলে , পাঠে মায়া জাগে না । হেমন্তের ভোরে কুয়াশার আচ্ছন্নতা মাখা কবিতার শরীরে তাই প্রথম রবির করের মতো তার অন্তর্শায়িত সৌন্দর্য প্রবাহকে পরিস্ফুট করতে লাগে গভীর অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্ন আলোকপাত । বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক অরুণিমা চ্যাটার্জি, সেই সারসত্যকেই আরোও একবার প্রমাণিত করে দেখালেন ; কবিতা বিশ্লেষণে ঠিক কতটা মগ্নতার প্রয়োজন , তার এক অনুপম নিদর্শন , সম্প্রতি আমার লেখা একটি কবিতার পাঠ প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে , অসাধারণ ভাবে তুলে ধরেছেন তিনি । একমাত্র স্রষ্টাই জানেন সৃষ্টির কদর দিতে । অত্যন্ত উৎকৃষ্ট কাব্য সাহিত্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে, যিনি বারবার নিজেকে প্রমানিত করেছেন , সেই কবি - শ্রদ্ধেয়া অরুনিমা দেবীর এই বিশ্লেষণ , কবিতার অন্তরাত্মা বোধনের বিজয়সুখ অনুভব করানোর ক্ষেত্রে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেই মনে করি । কবিতার লেখক হিসেবে এটি আমার কাছে বিশেষ প্রাপ্তি হিসেবেই বিবেচিত হবে । বাকিটা উনার কলমে এবং মননের গ...
রঙ লেগেছে মুখে আর ফুল ফুটছে বুকে। রঙের আর কি, কোনো বিদ্বেষ নেই। সাফসুতরো মুখ দেখলেই খানিক আদর করার সুখ। তবে নিটোল এবং অরগ্যানিক। এ আই দিয়ে বিশ্লেষিত নয়। জৈব অ্যাড্রিনালিন দ্বারা সংশ্লেষিত। তাই ছুটে পালানোর বাহানা খোঁজে বৈরাগী; প্লিজ এখানে আবার পৌরাণিক অ্যাঙ্গেল ঢুঁড়বেন না যেন, তাহলেই কিন্তু রাধা বেঁকে বসবে। নিভৃতে, চিলেকোঠার কোনে কে জানত একদা রঙের এত বাহাদুরি দেখা যাবে। কোথায় মাড় না ভাঙা ধনেখালির কৌমার্য, একটু আড়াল পেতেই একেবারে উন্মুক্ত পারিজাত পাপড়ির পরাগ। আড় ভেঙে, নিমেষে শয্যাত্যাগের বেডশিট। ভ্রমর পায়ে রঙ তো লাগবেই। দোলের দিন খোল বাজবে এ নিয়ে ডিবেট করার কিছু নেই। কিন্তু বুকের মাঝে এমন ভূতপায়ের নাচন হবে কে জানত। কলা গাছের নির্মোক খুলে পড়ার মত নির্লজ্জ অন্তর, নির্বাক। রঙ গড়িয়ে যায়; নাম না জানা বদ্বীপ ছুঁয়ে দুর্গম মোহনার হ্যাংলামোপনায়। ছবিটি এঁকেছে দেবার্পণ, লেখক দেবাশিস জানার ছেলে। হালকা হালকা হাওয়ায়, আমের বকুল খানিক ঝরে পড়লেও ক্ষতি নাই; রঙ হাতে তো রাশ হাতে। সজনে ফুল কুড়ানোর সময় এখন; শরীর খারাপ বলে, পড়ার ঘরে একা একা টেক্সট করার ছল – না রে পাগলা, আজ পারবো না! তবে? আজ বরং শিমুলকে - বৃ...