আজকে শাম তুমারে নাম! কিন্তু শুধু শাম-ই বা কেন, প্রিয় মানুষের নামে পথ ঘাট, বাজার, লাইব্রেরি থেকে মহাকাশ স্টেশন সবকিছুই যখন হতে পারে তখন কাফকা বা উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের নামে (বিশেষ প্রজাতি) ডালিয়া বা গোলাপের নামকরন হলে আর বেশী কী। ইষ্ট দেবতার নামে ছেলে মেয়ের নাম দেওয়ার চল তো বহু পুরনো, বহু দিন আগে একটা জায়গায় পড়েছিলাম বিহারের কোনো এক বাসিন্দা তিনি নাকি এতটাই ভক্ত ছিলেন কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের যে আদর করে ছেলের নাম রেখেছিলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সিং। উদ্যানবিদ হাজি কলিমোল্লা খান, উত্তর প্রদেশের মানুষ; রকমারি হাইব্রিড আম ফলানোয় একেবারে দিকপাল। কিন্তু শুধু নতুন নতুন আম বানালেই তো হবে না, তাদের নামও তো দিতে হবে। হাজি কলিমোল্লা সাহেব এ ক্ষেত্রে কিছু জীবন্ত কিংবদন্তীর নাম বেছে একেবারে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে দেশের বড় বড় ভি ভি আই পিরাও নামকরণের চক্করে পড়ে আম হয়ে গিয়েছেন। যেমন শচিন আম, নরেন্দ্র মোদী আম বা সোনিয়া গান্ধী আম ইত্যাদি। নারায়ণ দেবনাথ। শুধু আমই বা কেন, সম্প্রতি আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু উদ্ভিদ গবেষকের নজরে পড়ে একটি নতুন প্রজাতির সপুষ্পক গুল্ম জাতীয় গাছ; আ...
সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাঁথির যোগসূত্র বহুকথিত , তিনি মাত্র ২১ বছর বয়সে তখনকার প্রশাসনিক ক্ষেত্র নেগুয়া অঞ্চলের ম্যাজিস্ট্রেট তথা ট্যাক্স কালেক্টর হয়ে কাঁথিতে আসেন , তারিখটি ছিল ১৮৬০ এর ২১শে জানুয়ারি। ছিলেন মাত্র ন ' মাসের বেশী কিছু সময়। ২৯৩ দিনের মাথায় , ১৮৬০ এরই ৮ই নভেম্বর তারিখে তিনি কাঁথি থেকে বদলি হয়ে ফিরে যান। কিন্তু এই অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি তাঁর দু দুটি উপন্যাসের পটভূমি ও তাদের গুরুত্বপূর্ণ কিছু চরিত্র প্রাপ্তির উৎস হিসেবে কাঁথিকে তাঁর বিপুল সাহিত্য ভান্ডারের এক চির চর্চিত স্থান হিসেবে পরিচিতি দিয়ে গেছেন। অবশ্যই এদের মধ্যে প্রথম উপন্যাসটির নাম - কপালকুণ্ডলা ; যার মূল পটভূমি কাঁথি শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরের রসুলপুর নদী ও তার সাগর মিলন স্থল ছাড়াও পার্শ্ববর্তী জনপদ দারিয়াপুরের বালিয়াড়ি ও কাজুবাদামের জঙ্গলে ঘেরা জনবিরল অরণ্য স্থান অন্যতম , যেখানে উপন্যাসের মূল চরিত্র কপালকুণ্ডলা , কাপালিক সহ পথ হারিয়ে ফেলা নবকুমারকে ঘিরে সমগ্...