সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

'জয়া আর শারমিন', লকডাউনের ছবি জিতে নিল সেরার স্বীকৃতি!

‘জয়া আর শারমিন’ বিপর্যয়ের দিনে নৈকট্যে আসা দুই মহিলার সম্পর্ককে ঘিরে বিরহমধুর যাপনপ্রবাহের ছবি; কোভিড সময়ের ঘরবন্দী দুই সমবয়সী মহিলার একজন গৃহকর্ত্রী, আর অন্যজন তার পরিচারিকা, জয়া আর শারমিন সামাজিক অবস্থানের বিচারে দুই মেরুতে থাকলেও লকডাউন চলাকালীন তাদের পরস্পরের বন্ধু হয়ে ওঠার গল্প, তাতে নানা ওঠাপড়া থাকে, কিন্তু শুধু উপয়ান্তরহীনতার বাধ্যবাধকতায় তা বাঁধা থাকে না; বরং এক মায়াময় আকর্ষণের সুতো তাদেরকে ঘিরে রাখে শেষ অবধি, যে কারণে শুধুমাত্র ক্লিনিক্যাল দূরত্ব রক্ষার কারণে যখন বিচ্ছেদের আকস্মিক অবতারণা ঘটে তখন তা অনুভবের স্রোতকে প্রখর বেদনাতুর করে তোলে। বাংলাদেশের পিপলু আর খান পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘জয়া আর শারমিন’এ এমনই হৃদয়স্পর্শী প্রাঞ্জল চিত্র রুপায়ণ দেখে মুগ্ধ হলেন কোলকাতার সাধারন দর্শক থেকে সমালোচক এবং বিচারকেরা।  ৮ থেকে ১৩ই সেপ্টেম্বর অব্দি চলা পঞ্চম কোলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল উপলক্ষে সম্প্রতি এই ছবিটি দেখানো হয় কোলকাতার নন্দন ৩ প্রেক্ষাগৃহে। এটি ছাড়াও ইরান, শ্রীলঙ্কা, ভারত সহ মোট ছয়টি দেশ থেকে আরও ৯ টি বাছাই করা ছবি প্রদর্শিত হয় পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছায়াছবি বিভাগে, যাদের মধ্যে...
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

শি জিনপিং মোদীর দেওয়া ডিনারে এলেন না!

দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৮ তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে সম্প্রতি ২৪ ঘণ্টার ভারত সফরে এসে পৌঁছেছিলেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং,  দুদিন ধরে চলা (১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) এই বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন স্থল ছিল দিল্লির ভারত মণ্ডপম কনভেনশন সেন্টার। সংবাদে প্রকাশ, চায়না রাষ্ট্রপতির সম্মেলনে যোগ দেওয়া ছাড়াও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও বৈঠক শেষে ১২ই সেপ্টেম্বর, শনিবার রাত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেওয়া ডিনার পার্টিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল।  উল্লেখ্য, ১২ই সেপ্টেম্বর দুপুরবেলাতেই তিনি  দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে নামেন বলে খবর। চীন এবং রাশিয়া সহ ১১ টি সদস্য দেশের রাষ্ট্র প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন এই শীর্ষ সম্মেলনে। জিনপিং ছাড়া রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের উপস্থিতিও এই সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক বলে মনে করা হচ্ছে ।  টাইমস অফ ইন্ডিয়া'র খবরে প্রকাশ, সম্মেলন স্থলে এই দুই বিশ্বনেতাকে পাশাপাশি দেখা গেলেও মোদীর দেওয়া নৈশভোজে কিন্তু জিনপিং কে দেখা গেল না।  ডিনার পার্টি শুরু হওয়ার পূর্বেই দিল্লির তাজ প্যালেস হোটেলের...

ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন ২০২৬, পুতিনকে তামিল ক্লাসিক উপহার দিলেন মোদী!

দিল্লিতে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশতম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে আগত জোটের অন্যতম সদস্য দেশ রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের হাতে উপহার হিসেবে তামিল ধ্রুপদী কাব্যগ্রন্থ 'তিরুক্কুরাল'  তুলে দিলেন ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  দুদিন (১২ এবং ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬) ধরে চলা এই আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলনের এবারে আয়োজক দেশ ভারত, এই নিয়ে চতুর্থ বার ভারত এই দায়িত্ব পেল; ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২১ এর পরে এবারে ২০২৬। রীতি অনুসারে  ভারতই এবারে সম্মেলনের সভাপতিত্ব করবে।  ১১ই সেপ্টেম্বর, সম্মেলনের প্রাক সন্ধায় প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর কথিত প্রিয় এই বইটির একটি রুশ অনুবাদ পুতিনের হাতে তুলে দিয়েছেন বলে সংবাদে প্রকাশ।  আনুমানিক ৪৫০ থেকে ৫০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তি কোনো এক সময়ে এই গ্রন্থটি রচনা করেন, মহান তামিল দার্শনিক এবং মহাকবি তিরুভাল্লাভার; এটিকে তামিল ভাষার বেদ বলেও অভিহিত করা হয়। ধর্ম (আরম), কর্ম (পরুল) এবং কাম (ইরবাম) এই তিনটি পর্বে বিভক্ত এই গ্রন্থে মোট ১৩৩ টি অধ্যায় রয়েছে। ধর্ম পর্বে ৩৮ টি, কর্মে ৭০ এবং কাম পর্বে রয়েছে ২৫ টি অধ্যায়। প্রতিটি অধ্যায়ে ১০ টি করে পয়ার ছন্দে লেখা দ্বিপদ...

ধাপ, ধাপ, ধাপাস বল!

ফুটবল, ব্যাট বল, বেসবল, বাস্কেটবল ইত্যাদি যতরকমের খেলার বল রয়েছে সবেরই তো উৎপত্তি হয় ইংল্যান্ডে নয় আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে, সেখানে সাত সমুদ্র তের নদী পেরিয়ে একেবারে এই বাংলার জল হাওয়া ও মাটির গন্ধে জন্ম হওয়া এবং বেড়ে ওঠা ধাপাস বলের ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠার কাহিনী কিন্তু বেশ চমকপ্রদ। ছোটবেলায় বাতাবী লেবুর গায়ে ধাপাস ধাপাস করে লাথি মেরে উঠোনের এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে পাঠানোর ছবি গ্রাম বাংলার জীবনে একটি অতি পরিচিত আনন্দঘন মুহূর্তের অবতারণা করে আসছে আজন্মকাল। পরবর্তীতে কিশোর তরুণদের কাছে শিশুবেলার সেই সবুজ এবং আপাত নরম স্বভাবের গোলাকরূপী বাতাবী লেবু পেটানোর উন্মাদনাই যে তাদের ফুটবল খেলার প্রতি আগ্রহকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় তাতে কোনো অতিশয়োক্তি নেই। মাঠে ঘাটে, বৃষ্টির জল কাদা ভেঙেই চলে ফুটবল নিয়ে মাতামাতি, সঙ্গে পায়ের এবং শরীরের নানা কারুকাজ ও কারসাজি। কিন্তু সবই করতে হয় নিয়ম আর অনুশাসন মেনে; খেলোয়াড়দের তার বাইরে গেলে রেফারির হুইসল বেজে ওঠার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু নিয়মের নিগড়ে পড়ে যদি পায়ের সেই অবাধ ধাপাস-সুখ প্রাপ্তির আনন্দটাই নিরঙ্কুশ না থাকে তবে আর রইলটা কী! যদিও বাংলা তথা বাঙালির ফুটবল প্র...

১০১ এ সুকান্ত!

১৯৬৭ তে সুকান্ত - সমগ্র প্রকাশিত হওয়ার সময় , কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় লিখেছিলেন সুকান্ত ( জন্ম - ১৯২৬ , ১৫ই আগস্ট ) বেঁচে থাকলে এখন তার বয়স হতো ৪১ , কিন্তু সুকান্ত আজও একুশেই আছেন ; সুকান্তের বয়স বাড়েনি , প্রবহমান সময়ের স্রোতে কবি সুকান্ত এক স্থায়ী দিক চিহ্ন হয়েই চিরকাল তাঁর বিদ্রোহী কবিসত্তার ধ্বজা উড়িয়ে চলেছেন । প্রাণপ্রিয় বন্ধু কবি অরুণাচল বসুকে একটা চিঠিতে সুকান্ত লিখছেন , প্রেমে পড়ে প্রেমের কবিতা লেখা তার কাছে বড়ই ন্যক্কারজনক ব্যাপার , ঠিক যেমনটি তিনি নিজেকে ' দুর্ভিক্ষের কবি ' ( রবীন্দ্রনাথের প্রতি , ছাড়পত্র ) বলে আখ্যায়িত করেও অযথা সহানুভূতি কুড়ানোর প্রত্যাশায়,  ব্যক্তি হি সেবে কখনো  বুভুক্ষু মানুষের  দলে নিজেকে অন্তর্ভুক্ত  করেননি । কবি সুকান্ত। ছোটবেলায় যে সচ্ছলতা এবং স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে বড় হয়েছেন , বাবা ( নিবারণ ভট্টাচার্য ) এবং জ্যাঠা ' র ( কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য ) যৌথ প্রকাশনা ব্যবসা ছিল কোলকাতার ( ২০৬ নং ) বিধান সরণি তে;   সারস্বত প্রকাশনী না...