এইতো কয়েকদিন আগের কথা, ঢাকুরিয়া মধুসূদন মঞ্চের সামনে - সিঁড়ি ভেঙে, ফুট ব্রিজে উঠছি, দেখি মুখের কাছে এক কোনায়, সুন্দর একটা বটের চারা; সাকুল্যে গোটা ছয়েক পাতা হবে, নরম, সবুজ; মৃদু হাওয়ায় আলতো আলতো আন্দোলিত হচ্ছে, কেমন যেন আদুরে আদুরে ভাব। খানিক দূরে দুটো ভাত শালিক, ব্রিজের রেলিং এর ওপর ঝিম মেরে বসে আছে। তা বসুক গে, তখন তো বুঝিনি। কারণ শিশু বটগাছে এখনো ফল ধরতে অনেক বাকি। একবার ফল ধরলে না হয় টিয়া, বসন্তবৌরি বা কোকিল ইত্যাদি পাখির সঙ্গে সঙ্গে এই ভাত শালিকেরাও নানা জায়গা হতে উড়ে এসে জুড়ে বসতো। আসলে লাল, লাল বটফল গুলো দেখতে যেমন আকর্ষণীয় হয়, তেমনি - পাখিদের কাছে সুস্বাদু এবং পুষ্টিকরও বেশ। তাই সারাবছরই এই ফাইকাস বেঙ্গালেনসিস (৫০ টির বেশী এখনো টিকে থাকা বট প্রজাতির মধ্যে একটির বিজ্ঞানসম্মত নাম এটি, যার মধ্যে বেঙ্গল কথাটি রয়েছে) মানে বটগাছের ডালা পালায় এদের ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। মহাকলরবে একেবারে ভরে ওঠে বটতলা!
এই প্রসঙ্গে, বট বৃক্ষ রোপণে যিনি প্রায় বিশ্ববিখ্যাত হয়ে উঠেছেন, সেই মাস্টার মশাই শ্যামল জানার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। প্রায় ১০ হাজার বট রোপণ করার মিশন নিয়ে তিনি, যাকে বলে সাড়া ফেলে দিয়েছেন সর্বত্র। তাঁর নজরে পড়লে হয়তো এই বট চারাটির একটি সদগতি হতে পারে। শালিক গুলোও সঙ্গে সঙ্গে থাকবে না হয়। বড় হলে তার ছড়িয়ে পড়া ডালাপালায় না হয় একটু আশ্রয় খুঁজে পাবে। .
.jpg)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন