বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ছিন্ন হলে যেমন সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মি চলে আসার ভয় রয়েছে, তেমনি শ্বাসপ্রশ্বাসের বাতাসে ওজোনের পরিমান বেড়ে গেলেও বিপদ কম নয় । তার মানে আকাশে ওজোন না থাকলে যেমন ক্ষতি, ভূপৃষ্ঠে আবার সেটা থাকলে বিপত্তি। কিন্তু যার থাকা না থাকা নিয়ে এত সমস্যা, তার আসল চরিত্রটা কী, সেটা প্রথমে বুঝে নেওয়া দরকার। গোদা বাংলায় বলতে গেলে, সাধারন তাপে এটি একটি ফ্যাকাশে নীল রঙের গ্যাসীয় পদার্থ। রাসায়নিক ভাবে আবার আমাদের প্রাণবায়ু অক্সিজেনের খুব কাছাকাছি, নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে অক্সিজেনের থেকেও এক কাঠি বাড়া। কারণ বাতাসের অক্সিজেনে যেখানে দুটি অক্সিজেন পরমানু (O2)রয়েছে সেখানে ওজোনে (O3) রয়েছে তিনটি । তবে তা সত্ত্বেও, শ্বাসবায়ুর সঙ্গে যদি অতিমাত্রায় ওজোন শরীরের মধ্যে ঢুকে পড়ে তবে তা শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত নানা সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে। সাধারন কাশি থেকে শ্বাসকষ্ট এমনকি হাঁপানির মত দীর্ঘস্থায়ী অসুখেরও তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে অনায়াসে। যে কারণে শিশু বা বৃদ্ধদের কাছে বিশেষ করে ফুসফুস সংক্রান্ত অসুখে যারা ভোগেন তাদের জন্যে ওজোনের বিপদ সবথেকে বেশী। এ হেন ওজোন কিন্তু আকাশ থেকে টপকে প...