বাড়ির বাইরে গুচ্ছের হোগলা গাছ , তাতে লাঠির মতো , হলুদ হলুদ ফুল রেণু মাখা মঞ্জরী দন্ড গজিয়ে ওঠা শুরু হয়েছে বেশ। চৈত্রের নির্মেঘ আকাশ কেমন যেন নিস্পন্দ, নিথর; দিনভর তপ্ত রবির তেজে ঝলসানো , ম্রিয়মাণ! শীতল ঝড়ের ছন্দ বুঝি কোন্ আড়ালে বসে প্রহর গুণছে মুক্তির অপেক্ষায়। এমত সমযে তাই প্রলয়ের অন্তর কথা স্পষ্ট হয় মনের পর্দায়। "গোমড়া মুখের আকাশ/ চাইছে আমায় বড় একান্ত।" কবি প্রলয় বসু। প্রলয়ের ' মধুক্ষরণ ' রূপ কী শুধুই প্রকৃতির ক্লেশ নাশিনী , নাকি জাগতিক জীর্ণতার স্থবিরতা বিনাশী এক রূপক ? কবি প্রলয় বসু বোধহয় এক তীরে দুই পাখি বধ করেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত (২০২৬ , কোলকাতা বইমেলা) কবির চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ ' আবার ছন্দপথিক ' এ কবি তার সাক্ষর রেখেছেন। ' কালবৈশাখী ' এবং ' প্রলয়ের রাত ' কবিতা দুটিতে ঝড়ের প্রলয়ঙ্করী রূপ কে তিনি যেমন দহনমুক্তির একান্ত কারক হিসেবে বন্দনা করেছেন , তেমনি ' উড়ে যায় বুঝি জীবনের সকল কপাট ' লাইনে ঝড়কে জীবনের গতিরোধ কারী সকল বদ্ধ শৃঙ্খল ভঙ্গের কারিগর হিসেবেও প্রতীত করেছেন। কবি প্রলয় বসুর কবিতায় আধুনিক...