অনেকদিন হাত খুলে লেখা হয় না। খালি চিন্তার দাসত্ব। চেতনার গোলামী করা। মাত্রা বৃত্ত ছন্দের সীমায় যেন আটকে যায় বল্গা হারা সেরোটোনিন নিঃসরণ। নীতিকথার উপসংহার টানতে কত খিদমত যে খাটতে হয় সারাদিন। রুচিশীলতার ঢেঁকুর তুলতে কত যে খাদ্যাখাদ্যের বিচার বসাতে হয় কলম-তলার খাপ পঞ্চায়েতে তার ইয়াত্তা নেই। জলঙ্গীর তীর ধরে হাঁটতে হাঁটতে কতদিন মনে হয়েছে ভিড়ে যাই মাচানে বসা গোঁসাইদের দলে, ডাক যে আসেনি এমন নয়, জয়গুরু বলে কল্কে তে টান দিতে দিতে সেই অলীক সুখের সাগর প্রায় কালাপানির মতো আমাকে তার নিষিদ্ধ অবগাহনে আপ্যায়িত করেছে; যাকে পার হওয়ার দুঃসাহস জোটাতে হন্যে হয়ে ঘুরেছি; কিন্তু ওই এক বস্তা পচা দায় আমাকে পাগল হতে দেয়নি। পলাশীর আম বাগানে এক বুড়ো কাঠঠোকরাকে দেখেছিলাম, জীবন বাঁচাতে সে ওই কালচে পড়া গাছের গুঁড়ির ওপর ক্রমাগত তার ঘষে যাওয়া - দীর্ঘ ব্যবহারে দীর্ণ চঞ্চু দিয়ে ঠুকরে যাচ্ছে। আসলে, কলম যে কখন শ্রমিকের ছেনি হাতুড়ির মতো রোজানা অর্জনের অভীপ্সায় নিজের সর্বস্ব পণ করেছে, বুঝতে পারি নি। ওই তো অমলতাস ঝুলে আছে, কবরী বন্ধনে প্রলম্বিত গজরা যেন! কল্পনা তো শ্লীল অশ্লীলতার দায় মানে না। কবিতা ল...