কই , আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও .... আমার বিড়ির মুখে। যাকে বলে , পুরো পুলক জাগানো প্যারেডি। রবীন্দ্রনাথ নিজে , অতটাও ভাবেননি ; কালে কালে বিড়িখোররাও যে বিড়ি ধরাতে গিয়ে তাঁর গান গেয়ে আগুন চাইতে পারে , সেটা নিশ্চয়ই তাঁর কল্পনার বাইরে ছিল। এদিকে পল্টুদা , দিব্যি ঠোঁটের কোনায় একটা বিড়ি গুঁজে , দাঁড়িয়ে রয়েছেন বুক চিতিয়ে; ভাবখানা এমন যেন রবীন্দ্রনাথের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে নতুন কোনো দিশা দেখালেন তিনি। রবীন্দ্রনাথ নিজে কখনো ধূমপান করেননি বলেই প্রচার। তবে ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে লেখা একটি চিঠিতে , বেলুড় মঠে যে স্বামীজীর ছবির সামনে প্রতিদিন অম্বুরি তামাকের ভোগ দেওয়া হয় সে কথার উল্লেখ করেছেন। রবীন্দ্রনাথ, পাঠরত। ধূমপায়ীদের কাছে অগ্নিসংযোগ একটি অতি অপরিহার্য বিষয়। কিন্তু পল্টুদা নিজে সে দায় নিতে চান না। তিনি বলেন , আমি রজনীকান্ত নই , যে টাকেও দেশলাই কাঠি ঘষে আগুন জ্বালিয়ে নেবো। কেউ সামনে আগুন ধরালে তবে তিনি সুখটান দেবেন নইলে নয়। দোকানের সামনে আগুন দেওয়া নারকেল...