বরষার ধূসর মেঘ - ঢেকে যায়, কদম পাতার ঘন সবুজ আদরে। বড় নিবিড় সে বন্ধন আবার বড় চঞ্চলও । একটু বাতাসেই খিলখিলিয়ে ওঠে তার দুষ্টুমি ভরা শরীরী নাচন । কাছে আসে, জড়িয়ে ধরে আবার দূরে চলে যায় কপট বিচ্ছেদের ভান করে। ওদিকে বরষার ডালা সাজিয়ে পারদবর্ণা মেঘবালা তখন আপন হৃদয়ের কাছে থাকা কোনো সই যেন, দুই করপুট ভরে শুভ্র বৃষ্টি কুসুম ঝরিয়ে দিতে উদগ্রীব সবুজ কদম্ব বাসরে। অবশেষে - আসে সে মাহেন্দ্র ক্ষণ; খসে পড়ে কুসুমবারি, মেঘমালা ছিন্ন করে। চুম্বনের আকুলতা পেরিয়ে, আলিঙ্গনের আলস্যে যেন সম্ভোগের শিহরন হয়ে ঝরে পড়ে তহ্নি কদম্বের সবুজ, আলুলায়িত পত্র শয্যা পরে। টুপ টাপ, টুপ টাপ শব্দে পত্রাগ্রের হীরক খণ্ড সম বারি বিন্দু যেন স্খলিত কামনা, ঠাস বুননে গড়া ঝিলমিলে সবুজ চাঁদোয়ার নীচে গলে পড়ে, অবলীলায়। ধীর ধারায়, কদম্বের দেহ বল্লরী বেয়ে গড়াতে-গড়াতে সেঁধিয়ে যায় মাটির সুদূর গোপনে। ক্রমশ - জোরে, আরো জোরে নেমে আসে সে বৃষ্টি প্লাবন ধারা। কদম তলার ছায়া ধূসর, ভেজা মাটির প্রাঙ্গন - মুখরিত হতে থাকে বৃষ্টি ঝাঁপান গানে। পথে, উত্তাল ঝরনার মত উছলে পড়ে বৃষ্টিবতীর উদ্দাম আঁচল আর তার আঁচল জুড়ে ছেয়ে আসা লক্ষ বৃষ্টি-ধারা। ধু...