সাধারনের চোখে , প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য যে মুগ্ধতার আবেশ রচনা করে তা তাদের অনুভবের আয়নায় যথেষ্ট ঝকমক করলেও তাকে ভাষায় ব্যক্ত করতে পারে না সাধারণ মানুষ। প্রকৃতির অপরুপ রূপের বিচ্ছুরনকে শব্দ দিয়ে প্রকাশ করতে তাই সাহিত্যের ভাষাই একমাত্র মাধ্যম। যে ভাষায় প্রকৃতির অনুপম সৃষ্টি মহিমাকে নিরন্তর অনুবাদ করে চলেন কবি ও সাহিত্যিকেরা। করে তোলেন সাধারনের পাঠ যোগ্য। প্রকৃতি তার অনন্য সৃষ্টি রহস্য নিরন্তর বুনে চলে পৃথিবীর আনাচে কানাচে, সর্বত্র। এটা সত্যি যে তাকে খালি চোখে দেখা যায় এবং তার সৌন্দর্যের মধুর লীলা মনের মধ্যে এক অনির্বচনীয় ভালোলাগার আবেশও তৈরি করে কিন্তু তার মর্মোদ্ধার করার প্রশ্নে পুরো ব্যাপারটা অন্ধের হস্তি দর্শনের মতোই থেকে যায় অব্যক্ত। আর এখানেই সাহিত্যের ভূমিকা হয়ে ওঠে অপরিহার্য। সাহিত্য তার অনুপম সাবলীল ভাষায় শুধু যে প্রকৃতির পাঠোদ্ধারই করে তাই নয় তার ভাবার্থ কে সার্থক অনুবাদের মাধ্যমে করে তোলে সাধারনের বোধগম্য। । সাহিত্যের কল্যানে প্রকৃতির রহস্যময় সৃষ্টিলেখা হয়ে ওঠে প্রকৃতির সহজ পাঠ। বিগত কয়েকমাস ধরে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ইচ্ছায় আমাদের চারপাশে, যত্র তত্র ছড়িয়ে থাক...